সালথায় স্থানীয় দ্বন্দ্বের তিন বছর ধরে বন্ধ একটি মহিলা মাদ্রাসা 

সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:

ফরিদপুরে সালথায় স্থানীয় জমিজমার ঝামেলা নিয়ে তিন বছর ধরে বন্ধ রয়েছে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের নটখোলা হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রা:) মহিলা লা মাদ্রাসা।

সোমবার সকালে মাদ্রাসার টিনের ব্যাড়া খুলে ফেলে স্থানীয় আসাম মোল্লা নামে এক ব্যক্তি।

স্থানীয়রা জানান, নটখোলা মহিলা মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ মাওলানা শহিদুল ইসলাম এর সাথে কাসেম মোল্লার জমি নিয়ে ঝামেলা চলে আসছে অনেকদিন যাবত। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসারও চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু মীমাংসা হয়নি। মাদ্রাসাতে চালু হলে মেয়েদের লেখাপড়া জন্য ভালো হতো। নটখোলা হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রা:) মহিলা মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ মাওলানা শহিদুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, আমার মাদ্রাসার জায়গা জোর করে দখল করেছিলো, কাসেম মোল্ল্যা। আমি উপজেলায় অভিযোগ করলে সার্ভেয়ার এসে আমার জমি মেপে দিলে, মাদ্রাসার জায়গার সীমানা পর্যন্ত টিনের বেড়া দেওয়া হয়।

সালথায় স্থানীয় দ্বন্দ্বের তিন বছর ধরে বন্ধ একটি মহিলা মাদ্রাসা
সালথায় স্থানীয় দ্বন্দ্বের তিন বছর ধরে বন্ধ একটি মহিলা মাদ্রাসা

আজকে সোমবার সকালে কাসেম মোল্ল্যা আমার মাদ্রাসার সেই টিনের বেড়া ভেংগে ফেলে আবার পুনরায় দখল দেওয়ার চেষ্টা করছে।  এসব ঝামেলা কারণে আজ তিন বছর ধরে মাদ্রাসা বন্ধ রয়েছে। ভয়ে কেউ আসতে চায় না। আমি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। এ বিষয়ে আবুল কাশেমের সাথে যোগাযোগ করে ও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে কাসেম মোল্ল্যা স্ত্রী মিনু বেগম বলেন, আমাদের জমি দখল করে মাদ্রাসা করেছে। আমাদের জায়গা ছেড়ে দিলেই হবে। আমরা তার মাদ্রাসা বন্ধ করি নাই। করোনা সময় থেকে এমনি বন্ধ করে রেখেছে।

মাদ্রাসা চালু হলে এলাকার জন্যই ভালো। 

সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আতাউর রহমান বলেন, নটখোলা মহিলা মাদ্রাসার বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *