বরিশাল প্রতিনিধি:
কেন্দ্র ঘোষিত সংখ্যা-আনুপাতিক (পি.আর.) পদ্ধতি সংস্কার ও দৃশ্যমান বিচার বাস্তবায়নের দাবিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গাছুয়া ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে গাছুয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজার, ঘাট ও দোকানপাটে লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, ইসলামী যুব আন্দোলন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন ও বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সিনিয়র সহ-সভাপতি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মুলাদী উপজেলা শাখার মাওলানা নেছার উদ্দিন সিকদার বলেন, “সংখ্যা-আনুপাতিক (পি.আর.) পদ্ধতি বাস্তবায়িত হলে জনগণের প্রকৃত মতামত সংসদে প্রতিফলিত হবে এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।”
দফতর সম্পাদক ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মুলাদী উপজেলা শাখার মোঃ বেলায়েত হোসেন বলেন, “দৃশ্যমান বিচার প্রতিষ্ঠা না হলে সমাজে স্থায়ী শান্তি ফিরবে না। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে।”
সেক্রেটারি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গাছুয়া ইউনিয়ন শাখার মোঃ হাবিবুল্লাহ ফিরোজ বলেন, “গণমানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে পি.আর. সংস্কার সময়ের দাবি।”
জয়েন্ট সেক্রেটারি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গাছুয়া ইউনিয়ন শাখার মাস্টার মোঃ জাকির হোসেন বলেন, “জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠাই ইসলামী আন্দোলনের মূল লক্ষ্য।”
সভাপতি ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ গাছুয়া ইউনিয়ন শাখার মাওলানা মোহাম্মদ আবু তাহের বলেন, “যুব সমাজ পরিবর্তনের প্রধান শক্তি। ইসলামী মূল্যবোধে পরিচালিত রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে।”
সহ-সভাপতি ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ গাছুয়া ইউনিয়ন শাখার মোহাম্মদ আল আমিন বলেন, “আমরা এমন একটি নির্বাচন ব্যবস্থা চাই যেখানে প্রতিটি ভোটের মূল্য থাকবে এবং জনগণের ইচ্ছাই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার ভিত্তি।”
সাধারণ সম্পাদক ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ গাছুয়া ইউনিয়ন শাখার মাওলানা মোহাম্মদ মাসউদুর রহমান ইজহারী বলেন, “পি.আর. পদ্ধতি বাস্তবায়িত হলে প্রকৃত জনপ্রতিনিধিরাই নির্বাচিত হবে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।”
প্রচার সম্পাদক ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ গাছুয়া ইউনিয়ন শাখার হাফেজ মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, “জনগণের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের লক্ষ্য ও কর্মসূচি তুলে ধরা আমাদের দায়িত্ব।”
সভাপতি ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ গাছুয়া ইউনিয়ন শাখার হাফেজ মোঃ শাখাওয়াত বলেন, “ছাত্র সমাজই দেশের পরিবর্তনের অগ্রদূত। ন্যায্য ভোটব্যবস্থার আন্দোলনে তাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।”
সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটি গাছুয়া ইউনিয়ন শাখার হাফেজ মোঃ সাজেদুল ইসলাম বলেন, “ইসলামী আন্দোলনের প্রতিটি কর্মসূচি জনগণের কল্যাণ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে।”
বক্তারা বলেন, “সংখ্যা-আনুপাতিক (পি.আর.) পদ্ধতির সংস্কার ও দৃশ্যমান বিচার বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এই দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রাখবে।”