৩ ভাইয়ের হাঁস পালনে সফলতা 

কালাই (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি:

পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার আলহাজ্ব ইমান প্রামাণিকের তিন ছেলে মো: রতন প্রামাণিক (৩৬), মো:সাজন প্রামাণিক (৩১)ও মো: সাহেব আলী প্রামাণিক (২৮)হাঁস পালনে সফল হয়েছেন, তারা আজ সফল হাঁস পালনকারী ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী উদ্যোক্তা।

বুধবার (৯জুলাই) সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, মেজো ভাই মো: সাজন প্রামাণিক (৩১)বলেন, পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার গাজনার বিলের প্রাকৃতিক পরিবেশ ব্যবহার করে তারা হাঁস পালন করেন।যেখানে হাঁসগুলো দিনভর বিলে চরে বেড়ায় এবং প্রাকৃতিক  খাবার খায়।শুধু গাজনার বিল নয়, পাবনা জেলার বিভিন্ন জায়গায় তারা এই ভাবে হাঁস পালন করেন।এই পদ্ধতিতে হাঁস পালনে খরচ খুবই কম এবং অধিক  মুনাফা অর্জন করা সম্ভব।

কিন্তু, পাবনা জেলায় বৃষ্টির পানি বৃদ্ধির কারণে হাঁসগুলো পানির গভীর থেকে খাদ্য সংগ্রহ করতে পারছে না বলে তারা কিছুদিন আগে তাদের  হাঁস নিয়ে চলে আসেন জয়পুরহাট জেলার কালাই উপজেলার শালুকগাড়ী গ্রামে।এখানে হাঁসগুলোকে তারা গ্রামের পুকুর, ডোবা ও ইরি ধান কাটার পর পড়ে থাকা  ফসলের জমি থেকে খাদ্য খাওয়ান।

বর্তমানে তাদের হাঁসের সংখ্যা ২৪০০। তিন ভাই এবং তিন জন কর্মচারী মোট ৬ জন মিলে হাঁসগুলোর দেখাশুনা করেন। প্রতি সপ্তাহে ডিম বিক্রি করেন ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকার, এবং প্রতি মাসে প্রায় ২,৫০,০০০ লক্ষ টাকার।

সাজন প্রামাণিক আরো বলেন, তাদের পরিবারের প্রধান তাদের পিতা, তিন ভাই,স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে তাদের যৌথ পরিবার। যৌথ পরিবারে অনেক আগে থেকেই এভাবেই হাঁস পালন করে আসছেন তারা।বছরের প্রায় ৫ থেকে ৬ মাস দেশের বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে হাঁস পালন করেন। একই জেলার আসাদুজ্জামান নামের একজন তাদের সাথে ৬০০ হাঁস নিয়ে এসেছেন।শুধু এই তিন ভাই নয়, সুজানগর উপজেলায়  ৫০ জনের ও বেশি সফল হাঁসপালনকারী ও উদ্যোক্তা রয়েছেন। জয়পুরহাট জেলায় কৃষকেরা যখন আমন ধান রোপন শুরু করবেন তখন তারা এই জেলা ছেড়ে চলে যাবেন বলে জানিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *