সালথা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিদর্শন করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুদর্শন শিকদার 

সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:

সালথা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুদর্শন শিকদারের নেতৃত্বে ধান খেতের যে সকল ক্ষতিকারক ছাতনাশক রয়েছে সেগুলো মাঠ পর্যায়ে এসে পরিদর্শন করলেন সালথা উপজেলার সংরক্ষণ কর্মকর্তা মুন্নি কার সহযোগিতায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোঃ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা সহকারী কর্মকর্তা, এ সময় মন্নিকার সহযোগিতায় উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ফুকরা গ্রামের ধান খেত পরিদর্শন করেন।

সালথা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিদর্শন করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুদর্শন শিকদার
সালথা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিদর্শন করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুদর্শন শিকদার

উপজেলা কৃষি অফিসার সুদর্শন শিকদার কৃষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, বলেন কোন কোন প্রকার ধানক্ষেতের ক্ষতি করে এবং কোন পোকায় ধানের উপকার করে এ বিষয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেন, সোনাপুর ইউনিয়নের কৃষি অফিসার মুন্নি আক্তার বলেন, আমরা মাঠ পর্যায়ে এসে অনেক জমির মধ্যে ক্ষতিকর ছাতনাশক পেয়েছে এ থেকে কিভাবে কৃষকরা লাভবান হবেন এবং নিরাপদ থাকবেন সে বিষয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন।

সালথা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিদর্শন করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুদর্শন শিকদার
সালথা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিদর্শন করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুদর্শন শিকদার

এ সময় তাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন উপজেলার বিভিন্ন কৃষি কর্মকর্তাগন, বিশেষ করে বলেন, কৃষকরা যখন ধানক্ষেতে কীটনাশক প্রয়োগ করবে তখন অবশ্যই মুখে মার্কস এবং হাতে ফ্যানগুলো পরে প্রয়োগ করবেন, এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিভিন্ন খেত ঘুরে ঘুরে পরিদর্শন করেন এবং কৃষকদেরকে সুন্দরভাবে বুঝিয়ে বলেন, মুন্নি আক্তারের সহযোগিতায় সকল অফিসাররা প্রতিটা ধান ক্ষেত পরিদর্শন করেন এবং বলেন এটা আমাদের চলমান থাকবে, যা করলে কৃষকদের উপকার হবে আমরা এ ব্যাপারে ই সকল কৃষকদেরকে পরামর্শ দিব এবং কৃষকদের পাশে থাকবো।

সর্বশেষ উপজেলা কৃষি অফিসার সহ সোনাপুর ইউনিয়নের কৃষি অফিসার সহ সকল সদস্যরা কৃষকদের কে নিয়ে মাঠে গিয়ে তাদেরকে হাতে ধরে দেখিয়ে দেন এবং শিখিয়ে দেন। এ সকল ভালো কাজের জন্য কৃষকরা কৃষি অফিসার মুন্নি আক্তার কে ধন্যবাদ জানান এবং কৃষকরা বলেন ,আপনি আমাদেরকে এভাবে সঠিক পরামর্শ দিলে আমরা অনেক লাভজনক হব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *