কলকাতা প্রতিনিধিঃ
আজ সকালে পশ্চিম বাংলার পড়শী রাজ্যে ওড়িশার পুরীর এক হোটেল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে পশ্চিম বাংলার সাবেক মন্ত্রী ও বিষ্ণুপুর পূর্ব এর বিধায়ক শ্রী দিলীপ মন্ডল। পশ্চিম বাংলার ক্ষমতা বদলের পর বিভিন্ন যায়গায় থেকে এককালে সাধারণ মানুষের উপর জুলুম ও নির্যাতন এবং অত্যাচার কারী ও মিথ্যা মামলা দিয়ে বিরোধী দলের নেতা ও কর্মীদের ফাঁসিয়ে দেওয়া নেতা ও কর্মীদের উপর মড়ার মাথার উপর খাঁড়ার ঘা পড়তে চলেছে।
ইতিমধ্যেই বিভিন্ন কেসে জেল ভরাতে শুরু করেছে তৃনমূল দলের নেতা ও কর্মীদের দিয়ে। কারণ দীর্ঘদিন ধরে তৃনমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকার সময় বিরোধী দলের নেতা ও কর্মীদের উপর জুলুম ও অত্যাচার এবং নির্যাতনের মতো ঘটনা ঘটিয়েছে। সেই সঙ্গে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কেড়ে নিয়েছে। কোথাও কোথাও প্রতিবাদী বিজেপি ও অন্য বিরোধী দলের নেতা ও কর্মীদের খুন করা হয়েছে।
এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে তারা নিজেদের সম্পত্তি এবং বেআইনি জমি দখল এবং সরকারি জমিতে বেআইনি নির্মাণ কাজ এবং বিভিন্ন যায়গায় ব্যাবসায়ীদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা পয়সা আদায় করা থেকে শুরু করে ইউনিয়নের মাধ্যমে টাকা পয়সা হাতানোর মতো ঘটনা ঘটিয়েছে। কিছুদিন আগে ভোট পরবর্তীতে বিষ্ণুপুর পূর্ব বিধায়ক ও সাবেক মন্ত্রী শ্রী দিলীপ মন্ডল একটি বিজয় মিছিল বের করা নিয়ে ঝামেলা হয়। সেই সময় বিজেপি নেতা ও কর্মীদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়
।এই ঘটনার পর দিলীপ মন্ডল এর বিরুদ্ধে বিষ্ণুপুর থানাতে অভিযোগ পত্র দাখিল করে বিজেপি নেতা ও কর্মীরা। তার পর বিধায়ক শ্রী দিলীপ মন্ডল এর রাজপ্রাসাদ ও বিলাসবহুল বাড়ি তে তল্লাশি চালায়। কিন্তু তার আগে খবর পেয়ে গা ঢাকা দেন। এরপর পুলিশ বিভিন্ন যায়গায় দিলীপ মন্ডল এর খোঁজে তল্লাশি চালায়। কিন্তু কোন যায়গায় খোঁজ পায়নি। এরপর দিলীপ মন্ডল এর ছেলে কে বেআইনি অস্ত্র ও তোলাবাজি অভিযোগে, ডায়মন্ড হারবার এলাকায় লাল বাড়ি এলাকা থেকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।
এবং দিলীপ মন্ডল কে গ্রেপ্তার করতে বিভিন্ন যায়গায় তল্লাশি চালিয়ে যায় পুলিশ।আজ সকালে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পশ্চিম বাংলা পুলিশের এস টি এফের স্পেশাল ফোর্স ওড়িশার পুরীর একটি হোটেল থেকে গ্রেপ্তার করে।এর আগে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাধারণ মানুষের উপর জুলুম ও অত্যাচার এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়া এবং বিরোধী দলের নেতা ও কর্মীদের খুন করা এবং সাধারণ মানুষের ঘরের টাকা পয়সা ঘটনা।
এবং সাধারণ মানুষের কাছ থেকে এবং বিভিন্ন ব্যাবসায়ীদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা আদায় করা। এবং পুলিশের সঙ্গে যোগসাজশ করে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়। সরকারি সম্পত্তি দখল এবং তার উপর বেআইনি নির্মাণ কাজ করা। এবং জলাশয় ভরাট করে নতুন নতুন বিল্ডিং তৈরি করা। ডায়মন্ড হারবার সেন্ডিকেড ও বাস ও অটোরিকশা ইউনিয়নের মাধ্যমে মোটা টাকা আদায় করা এবং পঞ্চায়েতের বেআইনি কাজ নিয়ে তদন্ত শুরু করে দিয়েছে পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
তার সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এবং কথামত কাজ শুরু হয়েছে। তবে এখন দেখার বিষয় এই ঘটনায় কোন কোন বিধায়ক ও এম পি এবং তৃনমূল কংগ্রেসের কোন কোন নেতা ও কর্মী এবং কোন কোন পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপপ্রধান এবং চেয়ারম্যান ও সভাপতি ও পঞ্চায়েতের সদস্যরা গ্রেপ্তার হতে চলেছে তা দেখার জন্য তাকিয়ে আছে গোটা বাংলা।