কামরাঙ্গীরচর (ঢাকা) প্রতিনিধি:
রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের শেখ জামাল স্কুলের নিজস্ব সম্পত্তি দখল করে মেলা বসানোর অভিযোগ উঠেছে জামাত ইসলামের প্রভাবশালী নেতা হাজী এনায়েতুল্লাহর বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ, “জুলাই মেলা” নামে আয়োজন করা হলেও এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে চাঁদাবাজি ও বাণিজ্যিক স্বার্থ হাসিল।
মাঠ দখল করে ব্যবসা :
অভিযোগ রয়েছে, শেখ জামাল স্কুলের মাঠ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের জন্য বরাদ্দ। অথচ সেটি দখল করে বর্তমানে মেলা বসানো হয়েছে। মেলার নামে মাঠ ও বেড়িবাঁধ এলাকায় প্রতিটি দোকান থেকে ৩০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে।
এলাকাবাসীর ক্ষোভ :
এলাকার অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, এভাবে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ দখল করে মেলা বসানো অমানবিক।
একজন অভিভাবক বলেন—
“আমাদের সন্তানদের খেলার মাঠ নেই, পড়াশোনার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। এখন আবার চাঁদাবাজির বোঝা চাপানো হচ্ছে সাধারণ মানুষের উপর।
প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন :
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, বারবার অভিযোগ দেওয়ার পরও প্রশাসন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না। তারা প্রশ্ন তুলেছেন, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে কি তবে এভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জায়গা বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে?
জনপ্রতিনিধি হওয়ার আশঙ্কা :
এলাকাবাসী আরও জানান, হাজী এনায়েতুল্লাহ আসন্ন নির্বাচনে জনপ্রতিনিধি হওয়ার চেষ্টা করছেন। এ বিষয়ে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন—
“যদি এ ধরনের দখলবাজ ও চাঁদাবাজ নেতা নির্বাচিত হন, তাহলে আমাদের এলাকার ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে যাবে।”
এলাকাবাসীর দাবি :
শেখ জামাল স্কুলের মাঠ অবিলম্বে দখলমুক্ত করে শিক্ষার্থীদের জন্য ফিরিয়ে দেওয়া এবং মেলার নামে চলমান চাঁদাবাজি বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। একই সঙ্গে তারা প্রশাসনের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন, যেন দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে এই বেআইনি কর্মকাণ্ড বন্ধ করা হয়।