নাঃগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর ডিশ বাবুর সেকেন্ড ইন কমান্ড নূরে আলম সিদ্দিকী সাবু এখনো বীর দর্পে

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:

নাঃগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৭নং ওয়ার্ডের (সাবেক) কাউন্সিলর ডিশ বাবুর সেকেন্ড ইন কমান্ড বহু অপকর্মের হোতা নূরে আলম সিদ্দিকী সাবু ও তার বাহিনী এখনও বীর দর্পে ।২০২৪ সালে সাধারণ ছাত্রদের বৈষম্যদূর করার আন্দোলনের যাত্রা হয় জুলাই থেকেই । 

আন্দোলনের শুরু হওয়ার মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় আত্নগোপনে থাকা ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসরদের গ্রেফতার করা গেলেও বছর গুরে আবার জুলাই এসেছে কিন্তূ এখনো পর্যন্ত গ্রেফতার করা যায়নি নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবু ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যদের । 

স্থানীয় সূত্রের মাধ্যমে জানা যায় ছাত্র জনতার আন্দোলনে প্রকাশ্যে গুলিবর্ষন কারি সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবুর জাবতীয় ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছেন ডিস বাবুর ঘনিষ্ঠ ও সেকেন্ড ইন কমান্ড চিহ্নিত মাদক কারবারির বিভিন্ন অপকর্মের নায়ক নুরে আলম সিদ্দিকী সাবু ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর মাধ্যমে। সাবুর নেতৃত্বে আমহাট্টা জল্লারপার এলাকায় চলছে  

 ইটা বালুর ব্যাবসা, ইন্টারনেট ব্রডব্যান্ড ব্যাবসা ও মাদকের মতো নিষিদ্ধ ব্যাবসা যা পরিচালনা করে সাবুর দুই সালা আলভি ও ওয়ালিফ এর সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যদের মাধ্যমেই দেধারছে চালিয়ে যাচ্ছে। ৫ আগস্টের জানা গেছে সাবুর নিজের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির দেওভোগ এলাকার কিছু নেতাকে বড় অংকের আর্থিক লেনদেন করার মাধ্যমে ম্যানেজ করে তাদের ছায়াতলে সাবু নিজের অপরাধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে । 

এছাড়া আওয়ামীলীগ সরকার থাকা কালীন এই সাবু ডিস বাবুর নির্দেশ মোতাবেক জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণ কারি সাধারণ ছাত্রদের ও বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করার দ্বায়িত্ব পালন করেছিলেন বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে উঠে আসে ।

এই সকল তথ্য অনুসন্ধানের সময় বেড়িয়ে আসে সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবুর নিজ ওয়ার্ডের নিরীহ মানুষদের ফাঁসানোর একটি গভীর চক্রান্তের ঘটনা ।

বিশ্বস্ত সূত্রে যানা যায় পাইকপাড়া এলাকার ছোট কবরস্থানের সামনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পিছনে একটি পুকুর রয়েছে যার স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে ভেংগের ঘাটলা নামে পরিচিত এই  পুকুরে মাছ চাষ করতেন ডিস বাবু নিজেই । এই পুকুরের মাছ প্রতি বছর আবার এলাকাবাসীর নিকট বিতরণ করতেন ডিস বাবু। কতটা অমানুষিক হলে পরে জনৈক ব্যক্তিদের ফাঁসানোর জন্য  ডিশ বাবু নিজের মাছের খামারে বিশ দিয়ে মাছ হত্যা করতে পারে আর মাছ হত্যার দায়ে নিরীহ মানুষের নামে মামলা দায়ের করে তাদের সর্বস্ব নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিতেন এই ডিস বাবু ।

সাবেক কাউন্সিলর ডিস বাবুর নির্দেশ মোতাবেক পুকুরে বিশ দেওয়ার নেতৃত্ব দেয় এই নূরে আলম সিদ্দিকী সাবু পরিচালিত একটি সংঘবদ্ধ দল যেখানে সাবুর দুই সালা সহ আরো উপস্থিত ছিলেন আব্দুল রহিম, পি.এস  রিয়াদ, রাজিব ,আকাশ সহ আরো অনেকে। পরবর্তীতে আব্দুল করিম বাবুর নির্দেশ মোতাবেক করা হয় মিথ্যা মামলা।

 সেই মামলার বাদি করা হয় বাবুর আরেক ঘনিষ্ঠ সহচর আমহাট্টা জল্লারপার এলাকার মৃত্য জনু মিয়ার ছেলে মুন্না ওরফে  (লায়ন মুন্না)। হিসেবে পরিচিত এক ব্যক্তিকে দিয়ে ।

এছাড়া আওয়ামী সরকার থাকা অবস্থায় ডিশ বাবুর নির্দেশে সাবু পুলিশ দিয়া এলাকার নিরিহ মানুষদের নানা  ধরনের নির্যাতন চালিয়েছেন এই নুরে আলম সিদ্দিকী সাবু ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর লোকজন । তর পরেও কেনো তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হচ্ছে না নারায়ণগঞ্জ  সদর থানা পুলিশের সদস্যরা এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ফ্যাসিস্ট সরকারের শাসন চলাকালীন স্বৈরাচার সরকারের দোসর দুর্নীতিবাজ কাউন্সিলর বাবুর নির্দেশে নুরে   আলম সিদ্দিকী সাবুর নির্যাতনের ও ষড়যন্ত্রের শিকার হওয়া ব্যক্তিরা ।

অনতিবিলম্বে অভিযুক্ত সন্ত্রাসী জুলাই আন্দোলনে প্রকাশ্যে গুলিবর্ষন কারি সাবেক নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবু’র সেকেন্ড ইন কমান্ড নুরে আলম সিদ্দিকী সাবু সহ তার সন্ত্রাসী বাহিনীর সকল সদস্যদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও ভুক্তভোগীদের পরিবারের লোকজন ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *